বরগুনায় ছুটির দিনে সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, সাংবাদিকদের হেনস্তা
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতার অন্তর্ভুক্ত কারণ এতে রাজনৈতিক দলের (ছাত্রদল) একজন নেতা সরাসরি সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও বাধা দেওয়ার সাথে জড়িত ছিলেন। এটি কোনো সাধারণ অপরাধ নয় বরং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনা।
Killed
0
Injured
0
Summary
৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বরগুনা জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সহসম্পাদক পরিচয়দানকারী বাশার খান ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Journalists
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বরগুনায় ছুটির দিনে সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, সাংবাদিকদের হেনস্তা
বরগুনায় ছুটির দিনে সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, সাংবাদিকদের হেনস্তা Advertisement বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পিএম ছবি: যুগান্তর ছুটির দিনে বরগুনা জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে বালাম ও রেজিস্ট্রার খাতায় কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন সাংবাদিকরা। এ সময় কার্যালয়ের গেট বন্ধ করে সাংবাদিকদের হুমকি-ধমকি দেওয়া, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা এবং মারধরের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বরগুনা জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দৈনিক কালবেলার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি আসাদ সবুজ জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, সরকারি ছুটির দিনে জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে গোপনে কিছু কাজ চলছে। বিষয়টি জানতে তিনি বৈশাখী টেলিভিশনের বরগুনা প্রতিনিধি রাসেল শিকদার, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি ইব্রাহিম সোহেল, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি কাশেম হাওলাদার ও দৈনিক ঢাকা নিউজের প্রতিনিধি জুলহাস মিয়াসহ বরগুনা পৌর শহরের পুরান থানা এলাকার জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ সরকারি কার্যালয়ের কেচি গেট খোলা দেখতে পান তারা। পরে ভবনের তৃতীয় তলার নকলখানায় গিয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জনকে বালাম নিয়ে কাজ করতে দেখেন সাংবাদিকরা। এ সময় জেলা রেজিস্ট্রার স্বদেশ চন্দ্র চন্দ্রের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে সাংবাদিকদের জানান। পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ শুরু করলে সদর উপজেলার এজলাসে মাস্টাররোলে কর্মরত বাশার খান দ্রুত সেখানে গিয়ে নিজেকে জেলা ছাত্রদলের সহসম্পাদক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণে বাধা দেন বলে অভিযোগ। এ সময় নকলখানার গেট বন্ধ করে উপস্থিত সাংবাদিকদের একটি নির্দিষ্ট দলের দোসর ও চাদাবাজ হিসেবে আখ্যায়িত করার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের হুমকি-ধমকি দেওয়া এবং মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। পরে কার্যালয়ের একাধিক কর্মচারী বাশার খানকে আচরণ সংযত করার অনুরোধ করেন। এ সময় নকলখানার রেকর্ডকিপারের কাছে সরকারি ছুটির দিনে তাদের করা কাজ নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি ‘অনিয়ম’ বলে স্বীকার করেন বলে জানান সাংবাদিকরা। এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রেজিস্ট্রার স্বদেশ চন্দ্র চন্দ্র বলেন, সরকারি ছুটির দিনে বালাম নিয়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। আমি খোঁজ নিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি। তবে অনুমোদন ছাড়া কোনোভাবেই সরকারি ছুটির দিনে বালামের কাজ করা যাবে না।
