কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে কিশোরীকে তুলে নিলেন প্রেমিক
Why this classification
This is a valid violence incident dated 1 June 2026, within the 14-day window. Masud Rana and several associates attacked a family home in Laksam, Comilla, smashing property, beating people, looting cash and gold, and forcibly taking a 16-year-old girl.
Killed
0
Injured
0
Summary
লাকসাম উপজেলার হারাখাল গ্রামে ১ জুন ২০২৬ (সোমবার) রাতে প্রেমিক মো. মাসুদ রানা (৩২) ও তার লোকজন একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করে এবং ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, হামলার সময় নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ৩২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
জামিনে বের হয়ে স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেলেন তরুণ, থানায় অভিযোগ
জামিনে বের হয়ে স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেলেন তরুণ, থানায় অভিযোগ ভিডিও থেকে নেওয়া কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ | ১৯:৫৩ কুমিল্লায় এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। গতকাল সোমবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত তরুণ মাসুদ ও স্কুলছাত্রী পালিয়ে বিয়ে করেছিল। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবার অপহরণ মামলা করে। তখন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জামিনে বের হয়ে মাসুদ স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ২৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি দ্বিতল ভবনের ছাদ থেকে এক স্কুলছাত্রী কাঁধে করে নিচে নামছে কয়েকজন। এ সময় বাড়ির আঙিনা ও ভবনের আশপাশে বেশ কিছু লোকজন উপস্থিত ছিল। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর সঙ্গে অভিযুক্ত মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার পরিবার মাসুদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করে। মামলার পর পুলিশ মাসুদকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। আর ছাত্রীকে আদালতের মাধ্যমে তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। ওই মামলায় মাসুদ সম্প্রতি জামিনে বের হন। গতকাল সোমবার রাতে মাসুদ লোকজনসহ লাকসামে আসে। এ সময় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়। ওই ছাত্রীর মা বলেন, ‘গভীর রাতে মাসুদসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট চালায়। পরে জোরপূর্বক তার মেয়েকে নিয়ে যায়। হামলার সময় নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ৩২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে।’ লাকসাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুন্নাহার লাইলী সমকালকে বলেন, ‘ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা পালিয়ে বিয়েও করেছিল। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবার অপহরণ মামলা করলে মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামিনে বের হয়ে মাসুদ ওই ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়।’ ওসি আরও বলেন, এ ঘটনার পর ওই তরুণীর পরিবার আবারও থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে কিশোরীকে তুলে নিলেন প্রেমিক
কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে কিশোরীকে তুলে নিলেন প্রেমিক Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ এএম ছবি: সংগৃহীত কুমিল্লার লাকসামে ফিল্মি স্টাইলে এক কিশোরীকে (১৬) তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (১ জুন) রাতে উপজেলার হারাখাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে তুলে নেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ডুপ্লেক্স ভবনের ছাদ থেকে এক কিশোরীকে কাঁধে করে নিচে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন। এ সময় বাড়ির আঙিনা ও ভবনের আশপাশে বেশকিছু লোকজনের উপস্থিত দেখা গেছে। তুলে নেওয়ার সময় কিশোরীকে শান্ত দেখা গেছে। এ সময় কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা চিৎকার করলেও আশপাশের লোকজন বাধা প্রধান করেনি। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকসাম উপজেলার হারাখাল এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মো. মাসুদ রানা (৩২) নামের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয়েই পূর্ব পরিচিত। একপর্যায়ে দুজন পালিয়ে বিয়ে করেন। মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার পরিবার মাসুদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলার পর পুলিশ দুজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন। আদালত মাসুদ রানাকে কারাগারে পাঠিয়ে কিশোরীকে তার পরিবারের জিম্মায় দেন। মাসুদ রানা সম্প্রতি জামিনে বের হন। সোমবার রাতে মাসুদ লোকজন নিয়ে এসে ওই কিশোরীকে নিয়ে যান। ওই কিশোরীর মা জানান, রাতে মাসুদসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করে। পরে জোরপূর্বক তার মেয়েকে নিয়ে যায়। হামলার সময় নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ৩২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে লাকসাম থানার ওসি কামরুন্নাহার লাইলী বলেন, তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কিশোরীর সম্মতি থাকতে পারে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ওই কিশোরীর সঙ্গে মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দুজন পালিয়ে বিয়ে করেছে। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবার অপহরণ মামলা করলে মাসুদকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জামিনে বের হয়ে আবার মাসুদ তাকে নিয়ে যায়। ওসি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবার পুনরায় থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
