পানির অভাবে দুশ্চিন্তায় অর্ধশতাধিক ধানচাষি
Why this classification
The incident occurred on the night of 12 February 2026, within the 14-day window, and involved a physical beating of licensee Md. Yusuf by Nagar Matabbar and his sons. The attackers then forcibly seized the irrigation scheme and locked the pump house, which police have confirmed. The article does not report injury counts, so casualties are recorded as zero with an estimate flag.
Killed
0
Injured
1
Summary
লালমোহনে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে কালমা ইউনিয়নে লাইসেন্সধারী মো. ইউসুফকে মারধর করে স্থানীয় প্রভাবশালী নাগর মাতবর ও তাঁর ছেলেরা তাঁর সেচ প্রকল্প দখলে নেন। পাম্পঘরে তালা দেওয়ায় প্রায় ৫০ একর জমির ধানচাষিরা সেচ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পানির অভাবে দুশ্চিন্তায় অর্ধশতাধিক ধানচাষি
পানির অভাবে দুশ্চিন্তায় অর্ধশতাধিক ধানচাষি লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ ভোলার লালমোহনে বিএডিসির লাইসেন্সধারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি সেচ প্রকল্প (স্কিম) দখলে নিয়ে কৃষি মাঠে পানি বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এতে গত ১০ দিন ধরে জমিতে সেচ বন্ধ থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৫০ একর জমিতে ধান আবাদকারী অর্ধশতাধিক কৃষক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লেজছকিনা গ্রামের একতা বাজার-সংলগ্ন এলাকায় সেচ প্রকল্পটি দখলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে সেচ প্রকল্প দখলের সত্যতা মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন– উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাগর মাতবর, তাঁর ছেলে মো. জোবায়ের ও মো. মাসুম। সেচ প্রকল্পটির লাইসেন্সধারী মো. ইউসুফ অভিযোগ করে বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) থেকে লাইসেন্স নিয়ে নিজ জমিতে সেচপাম্প স্থাপন করেন। এরপর থেকে সেখানে ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের ধানের জমিতে পানি দিয়ে আসছিলেন। এর আগে নিজ উদ্যোগে একই স্থানে সেচপাম্প বসিয়ে গত ২০ বছর ধরে চাষিদের সেচ সেবা দিয়ে আসছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের দিন মধ্যরাতে স্থানীয় প্রভাবশালী নাগর মাতবর ও তাঁর ছেলেরা তাঁকে (ইউসুফ) মারধরের পর জোরপূর্বক সেচ প্রকল্পটি দখল করে। এরপর তারা সেচপাম্পের (মেশিন) ঘরে তালা দিয়ে সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এতে আশপাশের ধান চাষিরা জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। এ ঘটনায় আমি লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। সেচ প্রকল্পটি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করে তাঁকে ফেরত দিতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানান তিনি। সেচ প্রকল্প দখলের কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত নাগর মাতবর বলেন, ২০০১ সালের দিকে তিনি এবং ইউসুফের ভাই আয়ুব আলী মিলে যৌথ উদ্যোগে পানি সেচ (স্কিম) কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। বেশ কয়েক বছর একসঙ্গে ব্যবসা করলেও এক পর্যায়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা তাঁকে বাদ দিয়ে দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এ বিষয়ে সালিশ হয়েছিল, কোনো লাভ হয়নি। তিনি বাধ্য হয়েই সেচ প্রকল্পটি দখলে নিয়েছেন। স্থানীয় বোরো চাষি আব্দুস সাত্তার, মোস্তফা হাওলাদার বলেন, ধারদেনা করে তারা ধান আবাদ করেছেন এবং জমিতে সার ও কীটনাশক দিয়েছেন। ধানের চারা সবেমাত্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ইউসুফ ও নাগর মাতবরের দ্বন্দ্বে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় ক্ষেতের ধানের চারা মরে যাচ্ছে। শিগগির জমিতে সেচ দিতে না পারলে অর্ধশতাধিক কৃষকের বিপুল জমির ধানের চারা বাঁচবে না। এতে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। সেচ প্রকল্পটি দখলের সত্যতা মিলেছে। বরিশাল বিএডিসি সহকারী প্রকৌশলী (সেচ) ও ভোলা জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এস এম আতাই রাব্বি বলেন, ঘটনা জেনে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। - বিষয় : - পানি
