দোহারে স্বামীর অঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী
Why this classification
A wife allegedly attacked her sleeping husband with a blade early on Friday, 6 March 2026, cutting off his genitals and seriously injuring him. The attack is a single, recent, concrete violent incident in Dohar, Dhaka, and the wife is reported to be on the run.
Killed
0
Injured
1
Summary
ঢাকার দোহারের বিলাসপুর ইউনিয়নে শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) ভোররাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী পায়েল ব্লেড দিয়ে স্বামী ফিরোজ হোসেনের (৩৮) পুরুষাঙ্গ কেটে দেন। গুরুতর আহত ফিরোজকে প্রথমে দোহার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, পরে অবনতি হলে ঢাকায় পাঠানো হয় এবং ঘটনার পর থেকে পায়েল পলাতক রয়েছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দোহারে স্বামীর অঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী
দোহারে স্বামীর অঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দোহারে ফিরোজ হোসেনের (৩৮) পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছেন তার স্ত্রী পায়েল। শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মিল্লিক বিলাসপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আহত ফিরোজ হোসেন জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ী। তিনি এলাকার শেখ আনছারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফিরোজের সঙ্গে ১৬-১৭ বছর আগে জয়পাড়া খাড়াকান্দার পায়েলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে অশান্তি লেগেই থাকত। শুক্রবার ভোরে স্বামী ঘুমে থাকা অবস্থায় ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেন স্ত্রী পায়েল। এ সময় ফিরোজ আলমের ডাকচিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। তবে কী কারণে পায়েল এমন ঘটনা ঘটালেন তা নিশ্চিত নন পরিবারের সদস্যরা। তবে পায়েলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে স্ত্রী পায়েল। এমন ঘটনা ক্ষোভ প্রকাশ করে পায়েলের শাস্তি দাবি করেন ফিরোজের স্বজন ও স্থানীয়রা। দোহার থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।
