বস্তায় ভরে সড়কে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বামী
Why this classification
A woman was allegedly strangled to death by her husband, and her body was dumped in a sack on a highway in Gazipur. This is a specific murder incident with a death and a named suspect, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
গাজীপুরের বাইমাইলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে রোববার (৩ মে ২০২৬) রাতে বস্তাবন্দি অবস্থায় মমতাজ খাতুনের লাশ ফেলে তাঁর স্বামী আনোয়ার হোসেন পালিয়ে যান। স্বামীর বিরুদ্ধে উড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, আর পুলিশের ধারণা পারিবারিক কলহের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন, আটক স্বামী
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন, আটক স্বামী গাজীপুরের শ্রীপুর মডেল থানা গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:৩৩ একটি সংসারে নতুন অতিথির আগমনের অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার দিনগুলোতেই নেমে এলো নির্মম পরিণতি। গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে সীমা রানী দাস (২৫) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে তার স্বামী। হত্যার পর অভিযুক্ত নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী উদ্ভব দাসকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর বিষয়টি জানাজানি হয়। বাড়ির ভেতর সীমা রানী দাসের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের ছাপ দেখে সেখানে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করেন স্থানীয়রা। ওই এলাকার জহিরুল হক বলেন,পারিবারিক বিষয় নিয়ে সীমা ও তার স্বামীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। তবে সেই বিরোধের পরিণতি যে এমন মর্মান্তিক হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, স্ত্রীকে হত্যার পর উদ্ভব দাস নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তিনি বলেন, নিহতের শরীর, মাথা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন, স্বামী আটক
গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান বলে পুলিশ জানিয়েছে। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম সীমা রানী দাস (২৫)। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্বামী উদ্ভব দাসকে আটক করেছে। উদ্ভব একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক বলেন, রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। স্ত্রী সীমা রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে ওই নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলা কেটে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পুরো ঘরে রক্তের ছিটেফোঁটা ছিল। দেখে মনে হয়েছে, সেখানে অনেক ধস্তাধস্তি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরে, মাথায় এবং গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বস্তায় ভরে সড়কে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বামী
বস্তায় ভরে সড়কে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বামী Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে রোববার রাতে মমতাজ খাতুন নামের এক নারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠছে ভিকটিমের স্বামী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মমতাজকে উড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ভিকটিম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা গ্রামের ময়নাল হকের মেয়ে। কোনাবাড়ী মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ঘটনার পর আনোয়ার পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ওসি আরও জানান, নিহতের চার বছরের সন্তান ও শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, হত্যার পর আনোয়ার লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সেটি বস্তাবন্দি করে রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাইমাইলের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে যায়। এ সময় সন্দেহ হলে স্থানীয়রা আনোয়ারের কাছে জানতে চায়, বস্তায় কী আছে? তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি বস্তাবন্দি লাশ ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। মমতাজ বাইমাইল এলাকায় স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
