জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক হামলার বিচার চেয়ে জকসু ও ছাত্রদলের স্মারকলিপি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article describes the aftermath of a recent violent attack at Jagannath University that resulted in over 70 injuries, involving student political groups.

Reported by:SamakalSingle source
06/08/26•Jagannath University

Killed

0

Injured

70

Summary

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক এক হামলায় ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রেক্ষিতে জকসু ও ছাত্রদল উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। তারা হামলাকারীদের বিচার এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

BNP

Other actors

Riazul IslamMehedi Hasan HimelProf. Dr. Md. Royech Uddin

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 70

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 06/08/26open original ↗

কড়া নিরাপত্তায় শান্ত জবি, স্মারকলিপি দিল জকসু ও ছাত্রদল

কড়া নিরাপত্তায় শান্ত জবি, স্মারকলিপি দিল জকসু ও ছাত্রদল স্মারকলিপি দিল জকসু ও ছাত্রদল। ছবি: সমকাল জবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৩০ সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনার পর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার শান্ত ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। দিনভর ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রক্টোরিয়াল টিমের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) যাচাই করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বর ও রফিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন জবি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা জানান, অন্য কোনো সংগঠন কর্মসূচি পালন না করলে তারাও কোনো কর্মসূচি পালন করবেন না। অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে জকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে এসে নিজ কার্যালয়ে অবস্থান নেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ একটি অ্যাম্বুলেন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। জকসুর পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীনের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটির চাবি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপাচার্যের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে জকসু সাম্প্রতিক হামলার বিচার, প্রক্টরের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত, হামলায় জড়িতদের শাস্তি, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ নয় দফা দাবি জানায়। স্মারকলিপি প্রদান শেষে সংবাদ সম্মেলনে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলায় ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। হামলার বিচার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনের পর জকসুর নেতারা ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। এরপর দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে জবি শাখা ছাত্রদল। পরে সংগঠনটির পক্ষ থেকেও উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ছাত্রদলের স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে। তবে প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে একটি ছাত্রসংগঠনের কিছু নেতাকর্মী কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সব ছাত্রসংগঠনের ক্ষেত্রে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত সমানভাবে কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, জবিয়ানদের অধিকার আদায়ে অতীতেও কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব। তবে কোনো সংগঠন মব সৃষ্টি করে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল তা মেনে নেবে না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করবে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান। কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় বা ক্যাম্পাসে নতুন করে কোনো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে বলেন। - বিষয় : - জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - স্মারকলিপি - জকসু - ছাত্রদল