১৯ জুলাই শাটডাউন-এ ৫৬ নিহত, বিস্তৃত সংঘর্ষ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a concrete, recent (19 July 2026) clash with 56 deaths, involving political parties and their supporters, therefore it is classified as political violence.

Reported by:JugantorSingle source
19/07/26•Ramprra

Killed

56

Injured

0

Summary

১৯ জুলাই সরকারী কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে সম্পূর্ণ শাটডাউন ঘোষণা করা হয়; পুলিশ, দলীয় নেতা ও ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৬ জন নিহত হয়। বহু সরকারি ভবন ও পরিবহন ব্যবস্থা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Awami LeagueBNPLocals

Victim side

Law EnforcementAwami LeagueBNP

Other actors

সারজিস আলমহাসনাত আবদুল্লাহহাসিব আল ইসলামআনিসুল হকমহিবুল হাসান চৌধুরীমোহাম্মদ আলী আরাফাতমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরওবায়দুল কাদের

Affected infrastructure

BRTA headquartersPBI officegovernment buildingspolice stationsmetro rail stationsrail servicesairline flightsmotorcycle traffic

Tags

Party ClashRally ViolenceArson

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 56

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement, Awami League, BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 19/07/26open original ↗

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করে সরকার

রক্তাক্ত জুলাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করে সরকার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সরকারি চাকরিতে কোটাবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসাবে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঠেকাতে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সারা দেশে কারফিউ জারি করে তৎকালীন সরকার। একই সঙ্গে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত হয়। আর শিক্ষার্থীরা যেন অনলাইনে সংঘবদ্ধ হতে না পারে সেলক্ষ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন অব্যাহত রাখে। এর মধ্যে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে অন্তত ৫৬ জন নিহত হন। এমন পরিস্থিতিতে অদম্য আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া’, দুই মন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৮ দফা দাবি জানিয়ে বলেন, এসব দাবি মানার পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সংলাপে বসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। ৮ দফা দাবিতে তারা শাটডাউন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন আন্দোলনকারীদের তিন নেতা। সেখানে আট দফা দাবি তুলে ধরেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও সহসমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম। সরকারের পক্ষে তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত উপস্থিত ছিলেন। এদিন নরসিংদীর জেলা কারাগারের গেট ভেঙে ৮২৬ জন কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার মতো অভূতপূর্ব ঘটনাও ঘটে। পালিয়ে যাওয়া কয়েদিদের মধ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সাত সদস্য ও জেএমবির দুই নারী সদস্যও ছিল। এ সময় ৮৫টি অস্ত্র ও এক হাজার ৫০টি গুলিও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও বিআরটিএ ভবন ও পিবিআই কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়। ঢাকায় মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ডিএমপি। রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, বিজিবির ডিজি ও ডিএমপি কমিশনার। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে ১৯ জুলাই সকাল থেকেই দ্বিতীয় দিনের মতো কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালনে রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর রামপুরা ও যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। পরে রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, রামপুরা, উত্তরা ও মহাখালীতেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এছাড়া বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পালটাপালটি সমাবেশ ঘিরেও রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় সংঘর্ষ হয়। এর মধ্যে প্রেস ক্লাব ও পল্টন এলাকাজুড়েও ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকার বাইরে খুলনার শিববাড়ী, ময়মনসিংহ, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, রংপুর, মানিকগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও গাজীপুরে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। দিনভর সংঘর্ষে শুধু হতাহত নয়, অনেক সরকারি-বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রামপুরা থানা ও রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ি, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে পূরবী পর্যন্ত পাঁচটি পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। বনানীতে বিআরটিএ-এর সদর কার্যালয়, মিরপুরে সংস্থার মেট্রো-১ কার্যালয়, মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পুরোনো ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। মিরপুরে বিআরটিএ অফিসে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়। মেট্রোরেলের কাজীপাড়া স্টেশনেও ভাঙচুর চালানো হয়। এ অবস্থায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এদিন রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে গণপরিবহণ ও ব্যক্তিগত যান চলাচল করতে দেখা যায়নি। ঢাকা থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ছিল। ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক অনেক ফ্লাইটও বাতিল করা হয়। ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল চলাচলও বন্ধ ছিল। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা জানান। এদিন আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে হেলিকপ্টার থেকেও গুলি ছোড়া হয়। তবে র্যাবের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এদিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান তাদের অভিভাবকরাও। ‘সন্তানের পাশে অভিভাবক’ ব্যানারে রাজধানীর শাহবাগে মানববন্ধন করেন সর্বস্তরের অভিভাবক সমাজ।