হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলা
Why this classification
The article describes a concrete clash on 28 July between NCP leaders and a student group, using weapons and causing injuries, which meets the definition of political violence. All decision criteria are satisfied, so it is classified as political violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
হবিগঞ্জের কোর্ট মসজিদ সামনের এলাকায় ২৮ জুলাই এনসিপি নেতাদের এবং জেলা ছাত্রদলের মধ্যে অস্ত্রসহ সংঘর্ষে দুইজন আহত হয় এবং ৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন চুরি হয়। অভিযোগকারী মো. ইকবাল হোসেন রুকন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
হবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িতে হামলা, এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ
হবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িতে হামলা, এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছবি: সমকাল হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬ | ২১:১৮ | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬ | ২২:২১ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় এ হামলা হয়। হামলার জন্য ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে এনসিপি। হামলার মুখে সারজিস আলম সোনালী ব্যাংকের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন তিনি। পরে পুলিশ গিয়ে সারজিস আলমকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে আসে। তিনি এখনও সেখানে অবস্থান করছেন। বাইরে বিক্ষোভ করছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তবে নাসীরউদ্দিন পাটওয়ারী দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে আসেন। একপর্যায়ে সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা বলেন, সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। পরে তাদের পুলিশ উদ্ধার করে। আহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল পাঁচটার দিকে হবিগঞ্জ শহরের টাউনহলের সামনে এনসিপি সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ এনসিপির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একটি গাড়িতে করে সার্কিট হাউসের দিকে রওনা হন। গাড়িটি শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় পৌঁছলে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তখন দ্রুত বেগে গাড়িটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সার্কিট হাউসে এসে আশ্রয় নেয়।ওই গাড়ির পেছনে থাকা সারজিস আলমের গাড়িতে তখন ইট–পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। হামলা থেকে রক্ষা পেতে গাড়িটি সোনালী ব্যাংকে আশ্রয় নেয়। সারজিস সোনালী ব্যাংকে অবস্থান করছেন খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে ব্যাংকটি ঘেরাও করে রাখেন। পরে পুলিশ এসে রাত আটটার দিকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে সারজিস আলমকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। এরআগে, দুপুরে আজমিরীগঞ্জে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশে এনসিপি নেতারা বিএনপি নেতাদের নাম উল্লেখ করে ‘গুন্ডাবাহিনী’ বলে বক্তব্য রাখেন। এতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলে পদযাত্রা শেষে এনসিপি নেতাদের ঘিরে বিক্ষোভ করতে থাকে ছাত্রদল। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এনসিপির পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতারা বিক্ষোভ করেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এনসিপি কয়েকজন নেতাকে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেই।’
নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন এ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে এনসিপির ১০ নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, নুর আলম চৌধুরী, ফখরুল জাকির, আ. হাই কামাল, রুহাম গাজী, মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরীকে। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভার কোর্ট মসজিদের সামনে এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হলে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিনসহ ৪০ থেকে ৫০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলায় জেলা ছাত্রদল নেতা মাহফুজ চৌধুরী, মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের লোহার রড, রামদা, ফিকল ও ইটের টুকরো দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষের সময় বাদী, মোজাক্কির হোসেন ইমন, মাহফুজ চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান গাজী, শিমুল হাসানের মোবাইল ফোনসহ রক্সি ইসলামের কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাসুদ আহমদ রনি/আরকে
নারায়ণগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি
হবিগঞ্জে হামলার প্রতিবাদ নারায়ণগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জে পদযাত্রা অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলা ও বুধবার ১৪৪ ধারা চলাকালীন এলাকায় প্রবেশে পুলিশের বাধার প্রতিবাদে বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জে জেলা এনসিপি বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর চাষাঢ়া থেকে শুরু করে বিবি রোডের দুই নম্বর গেট হয়ে পুনরায় চাষাঢ়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন এসসিপির নেতাকর্মীরা। সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ-৪ ফতুল্লা আসনের সংসদ-সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আলামিন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারকে জনগণ একসেপ্ট করেনি। আপনারা হাসিনার চেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট নন, হাসিনা বড় ফ্যাসিস্ট হয়েও পালাতে বাধ্য হয়েছে। আপনারাও থাকতে পারবেন না। জুলাই মাসে দেড় হাজার মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। এই জুলাই মাসে জুলাইযোদ্ধাদের হামলা, সন্ত্রাস জনগণ মেনে নেবে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক যুবাইর সরদার, মহানগর আহ্বায়ক সৈকত আলীসহ জেলা মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
