আশুলিয়ায় ছাত্র আন্দোলনে ৬ জনের মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়
Why this classification
The article reports that police fired upon protesters during a political movement in Ashulia, resulting in six deaths and the burning of the victims' bodies.
Killed
6
Injured
0
Summary
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচিতে আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছেন এবং তাদের মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 10
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আশুলিয়ার পোড়া লাশের নৃশংসতা : দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি স্বজনদের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আশুলিয়ায় ৬ জননের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা। পোড়া লাশের ছাই আর স্মৃতি আঁকড়ে ধরে এখন তাদের একটাই আকুতি- এই বর্বরতার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি। জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে আশুলিয়ায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের ওপর নির্মমভাবে গুলি চালায় পুলিশ। সেদিন দুপুরে আশুলিয়া থানার সামনে একটি ভ্যানে লাশের স্তূপ দেখা যায়। পরে তাদের মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিনের নিহতরা হলেন- সিটি ইউনির্ভাসিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন সজল (২৩), আশুলিয়ার শাহীন স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আস-সাবুর (১৫), ভাওয়াল বদরুল আলম সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী তানজিল আহমেদ সুজয় (১৯), চাকরিজীবী বায়জিদ (২৩), আবুল হোসেন (৩৩) ও ওমর ফারুক। শহীদ আস-সাবুরের মা রাহেল জান্নাত ফেরদৌসী ঢাকা পোস্টকে জানান, আস-সাবুর আশুলিয়ায় দশম শ্রেণিতে পড়াশুনা করত। কোটাবিরোধী আন্দোলনে সংক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। ৫ আগস্ট আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল আস সাবুর। পরের দিন তার পোড়া মরদেহ পাওয়া যায়। এসময় রাহেলা আরও জানান, আমার ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। অনেক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে, আবার অনেক আসামি পলাতক রয়েছে। অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে রায় হয়েছে, তা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি। শহীদ ওমর ফারুকের বড় ভাই মামুন মিয়া জানান, আমার ভাই আশুলিয়া থেকে একটি জুতার কারখানায় চাকরি করতেন। কোটা বিরোধী আন্দোলনে ৫ আগস্ট নিখোঁজ হয়েছিল। পরে থানায় গিয়ে ছবি দেখে ভাইয়ের লাশ শনাক্ত করি। আমরা তার মৃত দেহটুকুও দেখতে পাইনি। তার মরদেহ আশুলিয়ার আম বাগান এলাকায় দাফন করেছে। তার হত্যার ঘটনায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি জানান তিনি। শহীদ আবুল হোসেন স্ত্রী লাকী আক্তার জানান, আমার স্বামী আশুলিয়ায় ডিইপিজেড কারখানায় চাকরি করতেন। ৫ আগস্ট নিহত হয়েছিল। পরে আশুলিয়া থানায় গিয়ে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে কবর খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু আমার তার লাশও দেখতে পাইনি। নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দিয়েছিল। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, তাদের শাস্তি আমি দেখে যেতে চাই। অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় হয়েছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে যাতে রায় কার্যকর করে। এতে আমার স্বামীর আত্মার শান্তি পাবে বলে জানান তিনি। লোটন আচার্য্য/এসএইচএ
