ফেনীর আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ
Why this classification
The article reports a recent (22 July 2026) demolition of an Awami League office, a destructive act targeting a political party, carried out by law‑enforcement officials. This meets the criteria for political violence as a party office attack.
Killed
0
Injured
0
Summary
২২ জুলাই ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর শহরে অবৈধ বলে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদ অভিযানটি উপজেলা সহকারী কমিশনার ওমর ফারুকের নেতৃত্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পৌরসভা ও পুলিশসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আ.লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট
ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা হিসেবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট। বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরোনো মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গায় নির্মিত স্থাপনাগুলো বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও সওজের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক। এ সময় সওজের উপ-তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহতাব উদ্দিন রুমি, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজেল হোসেন হাওলাদার, ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের একটি টিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, রোববার (১৯ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে মাইকিং করা হয়। পরবর্তী দুইদিন উপজেলা প্রশাসন ও সওজের যৌথ অভিযানে প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটসহ কয়েকটি স্থায়ী স্থাপনা ভাঙা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি উচ্ছেদ না করার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। সর্বশেষ বুধবার একই অভিযানের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট উচ্ছেদ করা হলে নতুন করে এ উচ্ছেদ বিলম্বের কারণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্থাপনাটি অবৈধ দখলে থাকলেও সর্বশেষ যৌথ উচ্ছেদ অভিযানে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক বলেন, কোনো চাপের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ করা হয়নি। এটি আমাদের চলমান উচ্ছেদ অভিযানেরই অংশ। স্থাপনাটি সওজের জায়গার মধ্যে পড়েছে কি না, সেটি যাচাই-বাছাই করতে কিছুটা সময় লেগেছে। নিশ্চিত হওয়ার পরই উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া জায়গা পুনর্দখলের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ ফারহানা পৃথা বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি স্থায়ী স্থাপনা হওয়ায় সওজের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। অবৈধ দখল নিশ্চিত হওয়ার পরই সেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্য স্থায়ী অবৈধ স্থাপনাগুলোও পর্যায়ক্রমে যাচাই করে উচ্ছেদ করা হবে। তারেক চৌধুরী/এসএইচএ
